Take a fresh look at your lifestyle.

ঈদুল আজহা’র ছুটি শেষে লঞ্চ যাত্রীদের ঢ্ল নেমেছে

বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে সর্বোচ্চ ১৩টি লঞ্চ

৪৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল আজহা’র ছুটি শেষে বরিশাল-ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চগুলোতে যাত্রীদের ঢ্ল নেমেছে।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে যাত্রী সংকটে দিন পার করছে দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি নৌরুটের বিলাসবহুল লঞ্চগুলো। কিন্তু ইদানীং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা সহ লম্বা ছুটির সময়গুলোয় এসব লঞ্চে যাত্রীর চাপ দেখা যাচ্ছে।

গত ঈদুল ফিতরের পর কোরবানির ঈদে আপ-ডাউন ট্রিপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ যাত্রী পেয়েছে বরিশাল-ঢাকা, ঝালকাঠি-ঢাকা, বরগুনা-ঢাকা, পিরোজপুর-ঢাকা, পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চগুলো। আর বাকি সময়টায় রুটগুলোয় কম লঞ্চ পরিচালনা করেও ডেক বা কেবিনেও যাত্রী পরিপূর্ণ করা যায়নি। ঈদুল আযহা উপলক্ষে আবারও যাত্রিদের চাপ বেড়েছে লঞ্চগুলোতে।

বরিশাল-ঢাকা রুটের বিলাসবহুল লঞ্চ কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম সুরভি শিপিং লাইন্সের কর্মকর্তা মো. রেশাদ জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর নৌপথে যাত্রী খরা শুরু হয়। এমনকি পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর প্রথম বছর ঈদ-কোরবানিতেও যাত্রীর খরা ছিল। তবে, চলতি বছরে ঈদ-কোরবানিসহ লম্বা ছুটির সময়গুলোয় যাত্রী হচ্ছে প্রচুর। অর্থাৎ উৎসব কেন্দ্রিক সরব হচ্ছে নৌরুট।

তবে লঞ্চ মালিকরা বলছেন, এতে করেও সারা বছরের লোকসান কমানো যাবে না। তাই উৎসব শেষে, যাত্রী চাপ কমে গেলে আগের মতো সব কোম্পানি মিলেই বরিশাল-ঢাকা রুটে লঞ্চের সংখ্যা কমিয়ে দেবে। এতে লাভ না হলেও লোকসান কিছুটা হলেও ঠেকান যাবে। এ মুহূর্তে কোম্পানির রোটেশনের প্রথাকেই উত্তম ভাবছেন ঘাটের কর্মচারীরা।

জুয়েল মোল্লা নামে এক লঞ্চের কর্মচারী জানান, স্বাভাবিক সময়ে উভয় প্রান্ত দিয়ে এত কম যাত্রী হয় যে দুই-তিনটার বেশি লঞ্চের প্রয়োজন হয় না। আগে আগাম বুকিং দিয়েও লঞ্চের কেবিনের টিকিট মিলতো না। আর এখন তো ঘাটে এসে লঞ্চ ছাড়ার আগেও কেবিন পাওয়া যায়। যদিও সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ঢাকা ও বরিশাল থেকে এবং শনিবার বরিশাল থেকে লঞ্চে কেবিন পাওয়া কিছুটা কঠিন।

এদিকে বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এই ঈদের শেষে লঞ্চে যাত্রীর সংখ্যা বেশি। বরিশাল নদী বন্দর থেকে শুক্রবার সর্বোচ্চ ১৩টি লঞ্চ সরাসরি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রীদের নিয়ে রওনা দেয়।

এ বিষয়ে সুন্দরবন লঞ্চ কোম্পা‌নির কাউন্টার ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন বলেন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় শুক্রবার যাত্রী তুলনামূলক বেশি। ত‌বে শনি-রোববারের পর যাত্রীর চাপ আর তেমন থাকবে না।

বরিশাল সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল বলেন, শুক্রবারের মতো কর্মস্থলে ফিরতে নদী বন্দরে যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় নৌ-পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। যাত্রীরা যেন নিরাপদে ফিরতে পারে তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চল‌ছে।

বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যাত্রী বাড়লেও কোনো লঞ্চ যেন অতিরিক্ত যাত্রী না নেয় সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে । আর নির্ধারিত সময়ের বেশি পন্টুনেও থাকতে দেওয়া হয়নি কোন লঞ্চ।

Auto House

Leave A Reply

Your email address will not be published.