Google search engine
Homeঅন্যানোবরিশালে কোস্ট গার্ডের জাহাজের ধাক্কায় ডুবল ২ স্পিডবোট,ক্ষতিগ্রস্ত ১০-১২টি

বরিশালে কোস্ট গার্ডের জাহাজের ধাক্কায় ডুবল ২ স্পিডবোট,ক্ষতিগ্রস্ত ১০-১২টি

বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজের ধাক্কায় দুটি স্পিডবোট ডুবে গেছে। এ ঘটনায় আরও ১০ থেকে ১২টি স্পিডবোট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই ধাক্কায় খাদ্য বিভাগের জন্য ৩০০ টন গম নিয়ে আসা একটি কার্গোর তলা ফেটে পানি ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতায় কার্গোটি ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ ঘটনায় কিছু গম ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অধিকাংশ গম নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বরিশাল স্পিডবোট ঘাটসংলগ্ন পন্টুন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। পরে ডুবে যাওয়া দুটি স্পিডবোট উদ্ধার করা হয়।

বরিশাল জেলা স্পিডবোট মালিক সমিতির সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন জানান, সকালে কোস্ট গার্ডের ‘বিসিজিএস স্বাধীন বাংলা’ নামের জাহাজটি মোংলার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার সময় পানির অতিরিক্ত চাপে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একপর্যায়ে জাহাজটি ঘাটে নোঙর করা স্পিডবোটগুলোর ওপর উঠে যায়। এতে দুটি স্পিডবোট ডুবে যায় এবং আরও ১০ থেকে ১২টি স্পিডবোট ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক অহিদুল আলম জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় স্পিডবোটচালক, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত স্পিডবোটগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

দুর্ঘটনাকবলিত কার্গোর ইনচার্জ মানিক হোসেন জানান, কোস্ট গার্ডের জাহাজের ধাক্কায় ‘ডিবী পাপীয়া’ নামের গমবাহী কার্গোটির তলা ফেটে যায়। এতে কার্গোর ভেতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। এ সময় কার্গোতে থাকা কর্মীদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কার্গোটি ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘ডিবী পাপীয়া’ কার্গোটি খুলনা সাইলো থেকে ৩০০ টন গম নিয়ে বরিশালে আসে। বরিশাল খাদ্য বিভাগের জেটিতে গম খালাসের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় সকালে দুর্ঘটনার শিকার হয় কার্গোটি। পরে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে অধিকাংশ গম নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে কিছু গম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ ও জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার। এ ঘটনায় দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্টদের দায়দায়িত্ব খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments