Google search engine
Homeঅন্যানোভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে এক প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে তাঁর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলা করেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আদালতের শেষ কার্যদিবসে আগৈলঝাড়া উপজেলার উত্তর চাদত্রিশিরা গ্রামের গৃহবধূ মুক্তা বেগম (৪৯) মামলাটি দায়ের করেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুসংকর মল্লিক।

মামলার এজাহারে অভিযুক্তরা হলেন—আগৈলঝাড়া উপজেলার বড় বাশাইল গ্রামের বেলায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ হাওলাদার (৩৫) এবং উত্তর চাদত্রিশিরা গ্রামের ফয়জুদ্দিন খানের ছেলে বাবুল খান (৪০)। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মুক্তা বেগমের স্বামী প্রায় তিন বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তিনি আট বছরের নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। অভিযোগ, অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় তাঁকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ক্ষতির চেষ্টা করেন।

গত ৯ আগস্ট বিকেলে মুক্তা বেগম ও তাঁর মেয়ে দুপুরের খাবার শেষে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দরজায় কড়া নাড়লে তিনি পরিচয় জানতে চান। মামলার প্রধান আসামি আকাশ নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে দরজা খুলতে বলেন। দরজা খুলে দিলে আকাশ ও বাবুল জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘরে ঢুকে আকাশ গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে বারান্দার খাটে শুইয়ে শ্লীলতাহানি করেন এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় অপর আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা বাইরে অবস্থান করে পাহারা দিচ্ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগ করেন বাদী।

মামলার বাদীর অভিযোগ, ঘটনার পর তিনি আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করতে গেলে তদন্তের কথা বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়। এ কারণে স্বজনদের পরামর্শে তিনি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নালিশি আবেদন করেন। তবে থানার সঙ্গে প্রধান আসামির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী।

আদালত নালিশি আবেদন পর্যালোচনা করে অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুসংকর মল্লিক বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments